অথই নূরুল আমিন
বাংলাদেশে মুল গণতন্ত্র এলো ১৯৯১ এর জাতীয় নির্বাচন থেকে। যখন থেকে জনগণ ভোট দিতে পারে। অথচ লক্ষ্য করে দেখা গেলো। জনগণ রাজনৈতিক দলগুলার বিভিন্ন মার্কায় ভোট প্রদান করে। এমপি প্রার্থীরা জনগণের ঘরে ঘরে যেয়ে ভোট প্রার্থনা করে। অথচ সেই জনগণই রাজনৈতিক দলগুলার কাছে যেমন নির্যাতনের শিকার হয়। তেমনি চাদা দিতে হয়। জনগণকে গণতন্ত্র দেশেও রাজা বাদশাহর আমলের মত মাথা নীচু করে কথা বলতে হয়। হিসাব করে দেখা যায়,কোন রাজনৈতিক দলের কাছেই মূলত জনগণ নিরাপদ নয়।
আমার মতে এলাকার একজন নেতা থাকবে অত্র এলাকার সকল জনগণের প্রিয়। সকল জনগণ থাকবে একজন নেতার কাছে নিরাপদ। একজন নেতার প্রথম কাজ হবে সমাজের সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে থাকা। নিরীহ মানুষেরা বা সমাজের গরিব লোকেরা একজন স্থানীয় নেতার কাছে পাবে ন্যায় বিচার।
ওমা! এলাকার নেতারা শক্তিশালী বা প্রভাবশালী পরিবার গুলোকে আব্বা আব্বা ডাকে। আর সেই নিরীহ বা গরিব পরিবারের গরু চুরি ছাগল চুরি হাস মোরগ চুরি জমি দখল বাড়ি দখল। গরিবের মেয়েটাকে অত্যাচার করনসহ সবধরনের অপকর্ম গুলো রাজনৈতিক নেতারা প্রায় তিন যুগ ধরে করেই যাচ্ছে।
এখন চোখ বন্ধ করে বলা যায়। রাজনৈতিক একজন নেতা মানেই অত্র এলাকার জন্য একটি আতঙ্কের নাম। মানুষের মধ্যে সবসময় ভয় বিরাজ করে। এই নেতায় কখন যে কার জমি দখল করে কখন যে কার বাড়ি নিয়ে চায়। কখন যে কোন গরিব লোকের যুবতি মেয়ে নিয়ে যায়। কখন যে কার কাছে চাদা দাবী করে বসে।
আমাদের দেশের রাজনৈতিক দলের নেতা গুলো যেন জলদস্যু বনদস্যু ও ডাকাতের চেয়েও অনেক অনেক বড়। জলদস্যু বনদস্যু বা ডাকাতেরা তারাও ডাকাতি করে একটি নির্দিষ্ট সময়ে। ওমা রাজনৈতিক নেতারা একজনের সম্পদ বা জমি দখল বাড়ি দখল একদম দিনে দুপুরে ঢাকডুল পিটিয়ে নিয়ে যায়।
রাজনৈতিক দলের নেতাদের সভ্য হতে হবে। জনগণের সেবায় এগিয়ে আসতে হবে। তাহলেই দেশের জনগণ যেমন করবে শ্রদ্ধা তেমনি করবে সম্মান। একজন রাজনৈতিক নেতার গুণকে যুগে যুগে স্বরণ করে জনগণে এবং ইতিহিসে লেখা থাকে গুণী নেতার গুণের কথা।
অথই নূরুল আমিন,
কবি কলামিস্ট ও রাষ্ট্র বিজ্ঞানী।