কলমেঃ দেবিকা রানী হালদার।
আমি নারী
জ্বলন্ত উনুন হতে পারি,
এক হাতে পরি চুড়ি
খুন্তি নেড়ে ঠেলি হাড়ি!
বাটনা বাটা দুটি হাত
বুকে সাহস অঘাৎ!
শিলনোড়া পাটা পুঁতা
মরিচ হলুদ আদায় গুঁতা!
এক হাতে কলম চলে চুড়ির শব্দে
শুরু করেছিলো নারী আর্যাব্দে!
প্রতিটি সংসারে নারী রুটি বেলে বেলুন ঘঁষে
প্রয়োজনে রিকশা চালায় লাঙ্গল চষে!
সেবিকা ডাক্তার অফিসের বড় আমলা
প্রয়োজনে রোডের মাটি কাঁটার সে কামলা!
মায়াবী স্নেহময়ী প্রেমিক বিছানার জুটি!
ছোট একটু আদর সোহাগে হেসে কুটি কুটি!
সর্বোপরি মা, সন্তান মানুষ করার কারিকর
সন্তানকে রক্ষা করতে নাই তার কোন ছাড়!
মা কখনও কালি, দূর্গা, স্বরসতী
সে ধর্মপরায়ণ পুরুষ থেকে শতগুণ সতী!
নারীর দু’টো হাত কলসী টেনে নেয়
কাঁখে
ধৈর্য্য সহ্য কষ্ট সয় প্রতি বাঁকে!
রোমান্টিকতা দিয়ে নারী ভাসে চাঁদের খেলায়
ক্লান্ত শ্রান্ত পতির আগমন পথে দাড়িয়ে থাকে দু-হাত বাড়ায়!