কলমেঃ ইঞ্জিঃ মোঃ সিরাজুল ইসলাম।
ছন্দময় ঢেউ তুলে প্রণয় আছড়ে পরে বুকে
ঝর্ণার জলরাশির মত ছন্দময় নূপুরের তালে সুখে!
কদম ফুলের সৌগন্ধ মাখা পূর্ণিমা আলোর ছায়ায়
ছুটে এসে জড়িয়ে ধরো দ্বিপ্রহর যামিনী তে, শুধু মায়ায়!
একাকিত্বের মৌনতা ভেঙে দীর্ঘশ্বাসে খুঁজি সেই নিশি
আমার কি তোমার কাছে চাওয়া-পাওয়া ছিলো বেশী?
সেই একচিলতে চাঁদের আলোর ঝলকানিতে বুকে টেনে নেয়া
বড়োজোর তোমার জীব ধারায় কম্পন ধরিয়ে দেয়া!
লক্ষ নক্ষত্রের স্বর্নালী মিছিলে তুমি আমার একটা তারা
চাওয়া-পাওয়ার কষ্টি পাথরে ঘষে হিসাবনিকেশ করে কারা?
আমি তো একাকার হয়ে যেতাম লেপটে তোমার বুকে
উদাস চোখে কাব্যিক দৃষ্টি, সে-ই দ্রুম রাজির পাতার ফাঁকে দেখনি সুখে!
অশ্বস্হের মৌন জোছনার ছায়ায় দেখেছি নিষ্পাপ সে মুখ
সারাজীবন তোমায় নিয়ে কাটাবো বলে মনে উথলেছে সুখ,
তুমি কি তখন ইচ্ছের ক্যানভাসে এঁকেছিলে অন্য কারো ছবি
তোমার বিশ্বাস ভঙ্গে তছনছ হওয়া জীবনে বানালো আমায় ছন্ন ছাড়া কবি?
কিসের হাতছানি তে কোন মোহে, অপারগতার দোহাই দিয়ে ছেড়ে গেলে
ঘাতক নির্মম বাস্তবতার চাবুকের আঘাত হেনে আমায় গেলে ফেলে!
অক্রূর এক হৃদয় কেমনে সহজে মেনে নেয় হৃদয়ের রক্তক্ষরণ
এর থেকে ভালো ছিলো হে নিঠুর, দিতে যদি হেমলক পানে মরণ!