নীল আকাশে উড়ছে পাখি>>
নীল আকাশে উড়ছে আজি,
সাদা মেঘের ভেলা।
পাখিদের দল ডানা মেলে,
করছে সাথে খেলা।
সূর্যি মামা রোদ বিলিয়ে
দিচ্ছে আলোর মেলা।
আহার শেষে পাখি নীড়ে ফিরে
যায় কেটে তাতে বেলা।
নীল আকাশে উড়ছে পাখি,
মুক্ত স্বাধীন ভাবে।
যেথায় ইচ্ছে উড়ছে পাখি,
কারো বাঁধা নাহি পাবে।
মনের সুখে উড়ছে পাখি,
নীল আকাশের মাঝে।
ডানা মেলে উড়ে পাখিরা,
সকাল কিংবা সাঁঝে।
বই মেলা দেখতে যাবে>>
বই মেলা দেখতে যাবে,
খোকা হাসি মুখে।
নতুন বই কিনবে খোকা,
পড়বে মনের সুখে।
খোকা যাবে মায়ের সাথে,
বাবাও সাথে যাবে।
ছোট্ট খুকু অপরাজিতাও,
খুশি খুশি ভাবে।
মায়ের আদর সোহাগ নিয়ে,
পড়ে খোকা বই।
মায়ের পাশে বসে খুকু,
করে শুধু হৈ চৈ।
মাঘের শেষে ফাগুন আসে>>
মাঘের শেষে ফাগুন আসে,
শীত যায় যে চলে।
মাঘের শেষে ফাগুন মাসে,
কোকিল কথা বলে।
মাঘের শেষে ফাগুন আসে,
ফুলে ভরে বাগান।
নতুন ফুলের ঘ্রাণে ভ্রমরা,
গায় মধুর সুরে গান।
মাঘের শেষে ফাগুন মাসে,
পাকে বাউ কুল।
মাঘের শেষে ফাগুন আসে,
হাসনা হেনা বকুল।
মাঘের শেষে ফাগুন আসে,
ফুটে সরিষা ফুল।
ফাগুনের হাওয়ায় সরিষার ক্ষেত,
দুলছে দুল দুল।
মাঘের শেষে ফাগুন মাসে,
আসে মনে সুখ।
ফাগুন মাসে প্রকৃতির মনে,
রয়না কোনো দুখ।
রমনীগঞ্জের রমনী>>
রমনীগঞ্জের রমনী গুলো,
দেখিতে ভারী সুন্দর।
মিষ্টি মধুর কথা বলে তাঁরা,
নয় কিছু তাহা মন্দর।
স্বজনের প্রতি ভালোবাসা
দেয় বিলিয়ে অনন্ত।
সারাক্ষণ কাজে ব্যস্ত থাকে,
হয় না কখনো ক্লান্ত।
স্বামীর সেবা পরম তৃপ্তি,
বুকভরা ভালোবাসা দেয়।
গরীব দুখী অনাথ এতিম,
সবার দুঃখের সারথি হয়।
রমনীগঞ্জের রমনী গুলো,
নয় তো তারা স্বার্থপর।
সবার বিপদে এগিয়ে আসে,
সুখে দুখে একে অপর।
কাজের ফাঁকে ফাঁকে তারা,
একে অপরে ভাব জমায়।
মিলেমিশে থাকে আবার,
দুরত্ব নেয় আরও কমায়।
রমনীগঞ্জের রমনী গুলো,
মনটা তাদের অতি সুন্দর।
রুপে গুণে ভালোবাসায়,
সবার মাঝে থাকবে বেঁচে অনন্ত।