কলমেঃ রওশন রোজী তুমি আসবে আমার গহীন বনে দু,জনে বেড়াবো মোরা হাতটি ধরে বলবো কত কথা সংগোপনে মনের আবেগে দেখবে আমায় আপন রঙে রাঙিয়ে। আকাশে বাতাসে ছড়িয়ে দিব ভালোবাসার রং
আফিয়া আইশা বিনতু আয়াছ আমি লাঞ্চিত হয়েছি হাজারবার হাজারো লোলুপদৃষ্টির মানুষরূপী পশু থেকে… আমি লাঞ্চিত হয়েছি হাজারবার কখনো কথার বিষে, কখনো নিঃশব্দ হাসির তিরে… আমি লাঞ্চিত হয়েছি হাজারবার চরিত্রহীনের নিকৃষ্ট
লেখক: দেবিকা রানী হালদার। ১৭৫৭ থেকে ১৯৪৭ সাল পর্যন্ত আমরা বৃটিশ শাসনে ছিলাম! ভারত স্বাধীন করতে ১৯০ বছরে হিন্দু মুসলিম মিলে প্রায় পোনে দুই বিলিয়ন মানুষ জীবন দিয়েছিলেন! সীমান্ত গান্ধী
দুঃখ রেখেছি জমা =========== বহুদিন ধরে দেখি না তোমাকে হাওয়ায় ভাসো বুঝি; সুধাকর প্রেম শ্যামলতার বাঁশি প্রেমালাপ পাঠে খুঁজি। নিঃসঙ্গ পথ ব্যথাতুর চোখ শূন্যতার সুর প্রাণে ক্ষত বিক্ষত আড়ালে হারায়
কলমেঃ ইঞ্জিঃ মোঃ সিরাজুল ইসলাম। সন্ধ্যায় ডুবন্ত ভানুকরের মায়াবী আভায় হে দয়িত তুমি স্মৃতি পটে হও ভাস্কর্য হয়ে উদয়! উষসীর আগমন আভাস দেয় আগত প্রদোষ কাল স্মৃতির নিখুত আল্পনায় আকিঁবুকিঁ
কলমেঃ দেবিকা রানী হালদার। মানুষ নামের অমানুষ তুই কিছুতেই তুই নয় যোগ্য, জগদ্দল পাথরের মতো বসেছিস এসে দেশটা নয় তোর ভোগ্য! সারা বিশ্বের মুখোশধারী এক নামে সবাই চেনে, পয়সা ডলার
(রোজা মাসে রাখি রোজা) ঈশান কোণে চাঁদ উঠেছে আসলো খুশির রোজা। দান খয়রাত করো বেশি, কমবে পাপের বোঝা। ন্যায় নীতি চলো মেনে, সত্য কথা বলো্ অসৎ পঢ ছেড়ে দিয়ে সৎ
কলমেঃ ইঞ্জিঃ মোঃ সিরাজুল ইসলাম। অমাবস্যার নিগূঢ় নিঃশব্দ নির্ঝর বৃষ্টি হোক সারা নিশি যতোই দূরত্বে থাকো আমার বক্ষঃস্থলে তুমি, আমার ভালোবাসা! সমাজের কুটিল মানব দৃষ্টি এড়িয়ে বালিয়াড়ির কবরে আশ্রয় নিবো
কলমে: বি. পি.শাকিলা জান্নাত ওহে দূরদর্শী.. শুনিয়া যাহো মোর কিছু আর্জি যদি খুলিয়া বলি মনের কথা সারিয়া দিতে পারিবে কি বুকের ব্যাথা? ওই যে দেখ চাহিয়া দূর আকাশ পানে উড়িতেছে
কলমেঃ বিলকিস নাহার মিতু নারী কেন ধর্ষিতা আজ প্রশ্ন সবার তরে? মা-বোনওতো আছে ওই সব কুলাঙ্গারের ঘরে। নারী কেন চলার পথে থাবার স্বীকার হয়? ছোট-বড় সব নারীরা চলতে পাচ্ছে ভয়!