বুধবার, ১৯ জুন ২০২৪, ০৩:২৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
কবিতা: যে জীবন মরণ ছোঁয়ে যায় বিশ্বম্ভরপুর থানা পুলিশের উদ্যোগে বন্যার্তদের উদ্ধার ও খাদ্য সামগ্রী বিতরণ কবিতা – কচি শশার কান্না কবিতা – অপেক্ষার কোরবানী অনুগল্প : মায়াবী চিঠি বারি বর্ষণে সিলেটে বন্যার অবনতি সুনামগঞ্জ কানাইঘাট জাফলং সহ প্রায় ৬০ টি গ্রাম প্লাবিত। আশ্রয় কেন্দ্রগুলোতে খাবার ও পানি সংকট সিলেটের নদ-নদীতে হু হু করে বাড়ছে পানি !! নগরী থেকে এখনও নামেনি পানি জলাবদ্ধতা নিরসনে সিলেট সিসিকের মেয়র ব্যর্থ, ড্রেনেজ সংস্কারের নামে প্রায় ১১শ কোটি টাকা জলে সিলেট হার্ট অ্যাসোসিয়েশন এর নতুন কমিটি গঠন,সভাপতি ডাঃ সুধাংশু রঞ্জন দে সাধারণ সম্পাদক ডাঃ এস এম হাবিবউল্লাহ সেলিম গোয়াইনঘাটের সকল পর্যটনকেন্দ্রগুলো অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা

Sanu Ahmed
  • Update Time : রবিবার, ২৬ মার্চ, ২০২৩
  • ৯৯ Time View

“”” বিধাতার লিখন “”””

আসল নাম :: সুকুমার সূত্র ধর
সাহিত্য নাম :: নিসর্গনন্দন নব

(( মোহনগঞ্জ থানার সুতারপুর গ্রামে কবির নিবাস ))

আমার যতটুকু বয়স হলো তার মাঝে এটাই অদ্ভুত একটি গল্প । জানি না কেনো ভিতরে সারা দিয়েছিল । আশা করি সকলের এই হৃদয়ে লাগবে । অনামিকা নামের একটি মেয়ে ছিলো । তাদের ছিলো না কিছু । একবারে নিঃশ্ব দিন আনে দিন খায় । কোনদিন রোজগার না হলে খেতে পারে না । কি করা না খেয়ে এক গ্লাস পানি খেয়ে রাত পারি দেয় । অনামিকার ঘরটা ছিল ছনের চাওনি । এক চালা ছাবডা একটা যাকে বলে চেলা ।চার পাশের বেড়াগুলো কলাপাতা দিয়ে দেওয়া । বিষ্টির দিনে গুমের মাঝে পানি উপর দিয়ে পরে । অনামিকার বাবা হার্ট এটাক করে মারা গিয়েছিল । এখন তার মা আর সে এই আছে । এইভাবে যুদ্ধ করে চলে যাচ্ছে জীবন । খেয়ে না খেয়ে দিন যাচ্ছে । অনামিকা বড় হলো বিয়ের বয়স হলো । তার মা টেনশন খেতে পায় না কিভাবে মেয়ে বিয়ে দিবে । শত কষ্টের বিনিময়ে মেয়ের বিয়ে হলো কিন্তূ বিয়ের দিন রাতে কুঞ্জের ভিতরে মালা বদল শেষ হলে একটা ঘটনা ঘটে যায় । পাশের বাড়ির এক বিবাহিত মেয়ে । মেয়েটি ভালো ছিল । বিয়ের পর সামি ভালো না হওয়াতে সংসারে জামেলা বেঁধে যায় । এক পর্যায় সামি বউ ছেড়ে দিবে । মেয়ে বলে মরে যাবো আমি এখানেই থাকবো । এই কথা শুনে সাশরী কবিরাজ দিয়ে মেয়েটিকে পাগল করে দেয় । পাগল হওয়ার পর চলে আসে সামির ঘর থেকে । তখন তার মাথায় সংসার মাথায় খেলে না । মেয়েটি তার বাবার বাড়ি থাকে । একদিন মেয়েটির বাবা – মা তাদের এলাকায় নাম করা কবিরাজের কাছে নিয়ে যায় । কবিরাজ দেখেই বুঝে যায় । কিন্তূ কবিরাজ এই গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা বলতে চায় নি । কি করবে মেয়েটির বাবা- মা কবিরাজের কাছে ভালো করার উপায় চেয়ে কান্না কাটি করলে । কবিরাজ বলে মেয়েটি ভালো হবে টিক একটি শর্তে । কি শর্ত ? শর্ত এই যে আপনার মেয়ে যদি কোন মেয়ের বিয়েতে গিয়ে ,মালা বদলের সময়, সেই কইনা কে স্পর্শ করে । তাহলে ভালো হইয়ে যাবে আর সেই কইনা সাথে সাথে পাগল হইয়ে যাবে আপনার মেয়ে ভালো হবে । কবিরাজের এই কথা শুনে মেয়েটির বাবা -মা মনে মনে বলে । জীবন এইভাবে কষ্ট নিয়ে থাকবো তবু আমার মেয়ের জন্য আর একটি মেয়ের জীবন নষ্ট হতে দিবো না । ঐ দিকে অনামিকার বিয়েতে যা হলো বিয়ের মালা বধলের সময় ঐ পাগল মেয়ে ছুয়ে দেয় । কেউ জানে না এই ঘটনা । সাথে -সাথেই অনমিকা অজ্ঞান হইয়ে যায় । বর পক্ষের মনে ঐ ঘটনা খেলে নি তারা ভাবলো যে । বিয়ের দিনে এমন মেয়েরা একটু হয় এই টিক হইয়ে যাবে । অনামিকা সামির বাড়ি গেলে পরে তার মাঝে আর মনুষ্যেত্বর কিছু নেই পাগল হইয়ে গেলো । এই টেনশনে অনামিকার মাও হার্ট এটাক করে পরলোকে চলে যায় ।

“”””” সমাপ্ত “”””
“” sukumar”””

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2023 Coder Boss
Design & Develop BY Coder Boss
themesba-lates1749691102