বুধবার, ১৯ জুন ২০২৪, ০৩:২১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
কবিতা: যে জীবন মরণ ছোঁয়ে যায় বিশ্বম্ভরপুর থানা পুলিশের উদ্যোগে বন্যার্তদের উদ্ধার ও খাদ্য সামগ্রী বিতরণ কবিতা – কচি শশার কান্না কবিতা – অপেক্ষার কোরবানী অনুগল্প : মায়াবী চিঠি বারি বর্ষণে সিলেটে বন্যার অবনতি সুনামগঞ্জ কানাইঘাট জাফলং সহ প্রায় ৬০ টি গ্রাম প্লাবিত। আশ্রয় কেন্দ্রগুলোতে খাবার ও পানি সংকট সিলেটের নদ-নদীতে হু হু করে বাড়ছে পানি !! নগরী থেকে এখনও নামেনি পানি জলাবদ্ধতা নিরসনে সিলেট সিসিকের মেয়র ব্যর্থ, ড্রেনেজ সংস্কারের নামে প্রায় ১১শ কোটি টাকা জলে সিলেট হার্ট অ্যাসোসিয়েশন এর নতুন কমিটি গঠন,সভাপতি ডাঃ সুধাংশু রঞ্জন দে সাধারণ সম্পাদক ডাঃ এস এম হাবিবউল্লাহ সেলিম গোয়াইনঘাটের সকল পর্যটনকেন্দ্রগুলো অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা

Sanu Ahmed
  • Update Time : শনিবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২৩
  • ১০০ Time View

ছোট গল্প 👉নিয়তি

✍️সাবিনা আফরিন🤍

 

★ রুপা
দেখতে বেশ মিষ্টি কথা ও আচরণে বেশ মুগ্ধতা রাখে- ছোটবেলা থেকেই হাসিখুশী মেয়েটি। শিক্ষিত পরিবারে তার জন্ম –বাবা মায়ের খুব আদরের মেয়ে সে। বন্ধু মহলে সে খুব বিনয়ী – শৈশব টা তার বেশ কেটেছে। হঠাৎ পারিবারিক ভাবে তার বিয়ে হয় এক ধনীর বখাটে ছেলের সাথে — বিয়ে কিছুদিন যেতেই রুপার বর চাকুরী ছেড়ে দেন- তারপর শুরু হলো বেকারত্বের। রুপা পড়াশোনায় বেশ মেধাবী ছিলো- স্কুলে সব শিক্ষকদের কাছে তার কদরও ছিলো বেশ। রুপা মাধ্যমিক পাশ করেছে সে পড়াশোনা আরো করতে চায় কিন্তু রুপার বর বলে দে- পড়াশোনা করলে আমাকে ছেড়ে দিতে হবে। রুপা বেশ চিন্তিত এ কেমন কথা! বিয়ের সময় তো বলেছেন আমাকে পড়াশোনা করতে দিবেন এখন কেনো আপনার আপত্তি? ওর বর ওকে বেশ বাজে ভাষায় গালিগালাজ শুরু করে। রুপা মন খারাপ করে বাবার বাড়িতে বলে- ওরা ও বলে কি আর করার মন দিয়ে সংসার করো। রুপা মুখবুজে নিজের স্বপ্ন কে জলাঞ্জলি দিয়ে সংসার করতে শুরু করে। কিন্তু কিছু দিন যেতেই রুপার বর তাকে নানা ভাবে মানুষিক কষ্ট দিতে শুরু করে– তারপর মাঝে মাঝেই তার গায়ে হাত দে। প্রচুর মারধর করে – রুপা তার কোন কারণ ই জানতে পারেনা। একটা সময় রুপার বরের ঘনিষ্ঠ বন্ধুর কাছে জানতে পারে সে নেশা করে। রুপা অনেক বুঝানোর চেষ্টা করে। কিন্তু কোন কাজ হয়নি- রুপা সিন্ধান্ত নেয় একটি সন্তান জন্ম নিলে তার বর ঠিক হয়ে যাবে। রুপার কোলে এক ফুটফুটে মেয়ের জন্ম হয়। কিন্তু তাতেও রুপার বরের কোন পরিবর্তন হয়নি। রুপা তার বরের অসহ্য নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে বাবার বাড়ি চলে যায়। অবশেষে তাদের ডিভোর্স হয়ে গেলো। হায় রে নিয়তি— আজ রুপা তার শিশু বাচ্চাটি কে নিয়ে নিয়তির দুয়ারে দুয়ারে হামাগুড়ি খাচ্ছে।।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2023 Coder Boss
Design & Develop BY Coder Boss
themesba-lates1749691102