শনিবার, ২২ জুন ২০২৪, ০৯:৩২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
নবীগঞ্জে বন্যাদুর্গতদের মাঝে উপজেলা প্রশাসনের ত্রাণ বিতরণ নবীগঞ্জের রইছগঞ্জ বাজারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড! ইলেকট্রনিক দোকান সহ ৩টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পুঁড়ে ছাঁই!ব্যবসায়ীর মাথায় হাত! সাড়ে ১৭লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি৷ কটিয়াদিতে অরক্ষিত পেট্রোল ও ডিজেলের দোকানে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে একজন আহত ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি অনুচ্ছেদ : আত্নহত্যা কবিতা – বাদলা দিনে মধ্যনগরে বন্যা কবলিত এলাকা পরিদর্শন করেন এমপি রনজিৎ চন্দ্র সরকার সুনামগঞ্জে মানবিক ফাউন্ডেশনের অর্থায়নে বন্যার্তদের মাঝে শুকনো খাবার বিতরণ বন্যার্তদের পাশে গোয়াইনঘাট উপজেলা রিপোর্টার্স ক্লাব বিশ্বম্ভরপুরে বন্যার্তদের জন্য সরকারের সুদৃষ্টি আছে , আমরা জনপ্রতিনিধিরা আছি, ত্রাণের কোনো অভাব নেই- ড. মোহাম্মদ সাদিক এমপি খাজাঞ্চি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আরশ আলীর পরিবারের পক্ষ থেকে বন্যার্তদের মাঝে চিড়া ও গুড় বিতরণ

রাজশাহীর দুর্গাপুরে চলছে জামাই মেলা”

Saddam uddin Raj
  • Update Time : সোমবার, ১৬ অক্টোবর, ২০২৩
  • ২২৮ Time View

 

“মোঃ মুনজুর রহমান,, জেলা রিপোর্টার রাজশাহী”

রাজশাহীর দুর্গাপুর উপজেলার উজানখলসি এবং আলিপুর চলছে জামাই মেলা, মেলাটি শুরু হয় আশ্বিন মাসের শেষ দিন থেকে

মেলাতে বিভিন্ন এলাকা থেকে অনেক দূর দূরান্ত থেকে ছুটে আসেন আনন্দ পিপাসী হাজারো হাজারো মানুষ,

যদিও এক সময় মেলাটির নাম ছিল ঘোড়াদহের মেলা এখানে চলতো বিশাল বিশাল আকারের বিভিন্ন এলাকা থেকে আগত নৌকা, আর সেই নৌকাগুলোর চলতো বাহাজ, বসতো হরেক রকম খাবারের দোকান মিষ্টি মিষ্টান্ন থেকে শুরু করে সব ধরনের খাবারের দোকান, চলতো মাংস বিক্রি এখানে যবেহ হতো দেড়শ থেকে ২০০ পিস গরু মহিষ এবং খাসি, বসতো খেলনা দোকান, কসমেটিকস দোকান, বিভিন্ন ধরনের ফার্নিচার, পোশাক, বিশেষ করে শীতের সস্তা থেকে অনেক উন্নত দামের উন্নতমানের শীতের কম্বলের দোকান, চলতো বিভিন্ন রকম গ্রামীণ যাত্রাপালা, সার্কাস, লটারি, বিভিন্ন খেলাধুলা এই মেলাতে বিশেষ করে আত্মীয়-স্বজন দেরকে দাওয়াত করে অনেক আনন্দ ফুর্তি করেন এলাকার লোকজন,

তবে যুগের কালের পরিবর্তনে মেলা কে এখন ঘোড়াদহের মেলা বলা হয় না বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই জামাই মেলা বলা হয়,

আর বিশেষ করে এই মেলাতে প্রত্যেক জামাইকে শ্বশুরবাড়িতে আসতেই হবে মেলার দিন, না হলে মেলাই জমবে নাতবে মেলাটি এখনো হয় কিন্তু আগের মত নৌকা বাহাজ, যাত্রাপালা, সার্কাস, লটারি, বিভিন্ন খেলাধুল এগুলো আর হয়না,

কারণ মেলাটি ছিল আগে দুর্গাপুরের উজানখলসিতে আর এখন মেলা কমিটির মধ্যে কালের বিবর্তনে যুগের পরিবর্তনে বিভিন্ন গ্রুপিং লবিং এর কারণে উজানখলসি থেকে ভাগ হয়ে মেলা অর্ধেক চলে এসেছে আলিপুরে তবে আগের মত সবকিছুই আছে কিন্তু নেই দেড়শ থেকে ২০০ পিস গরু মহিষ ছাগল যবেহ, তবে যদিও হয় হাতেগোনা দু চারটে, নেই যাত্রাপালা সার্কাস লটারি বিভিন্ন রকম খেলাধুলা নৌকাবাহাজ,তবে মেলাতে এখনো হাজার হাজার মানুষের সমাগম হলেও নেই আর আগের মতো আনন্দ।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2023 Coder Boss
Design & Develop BY Coder Boss
themesba-lates1749691102